Pages

Sunday, October 20, 2013

Sexpoll জরিপ 15

বর্তমানে ধর্ষণের হার বেড়ে যাওয়ার কারণ কি?

মেয়েদের উত্তেজন পোষাক-আষাক পরা বৃদ্ধি পাওয়াতে
  113 (65%)
 
পর্নোগ্রাফি সহজ লভ্য হওয়ার করণে
  53 (30%)
 
সেক্স করার সুযোগ কম হওয়াতে                            44 (25%)

 









Sexpoll জরিপ 14

মেয়েদের জন্য প্রশ্ন: কোন স্টাইলে সেক্স বেশী উপভোগ করেন?

 

সঙ্গী উপরে উঠে করলে
  78 (48%)
 
সঙ্গীর উপরে উঠে করলে
  45 (27%)
 
ডগি স্টাইল ( সঙ্গী পিছন থেকে করলে)
  36 (22%)
 
খাটের পাশে পা ঝুলিয়ে শোয়ার পর সঙ্গী দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ধাক্কা দিলে
  50 (30%)

Tuesday, March 26, 2013

http://sexpoll.blogspot.com জরিফের ফলাফল-13

(ছেলেদের জন্য প্রশ্ন) প্রথম মিলন কার সাথে করেছেন?

বান্ধবি  9 (24%)
 
স্ত্রী  5 (13%)
 
খালাত বোন  3 (8%)
 
মামাত বোন  2 (5%)
 
ফুফাত বোন  1 (2%)
 
তালত বোন  0 (0%)

পতিতা  3 (8%)
 
নিকট আত্মীয়  3 (8%)
 
অন্যন্য  2 (5%)
 
এখনো কারো সাথে মিলিত হইনি।  9 (24%)
 

 

Monday, March 26, 2012

http://sexpoll.blogspot.com জরিপের ফলাফল-12

অনেক সময় চটিতে কিছু ইনচেষ্ট (মা,বাবা,ভাই,বোন এর সাথে যৌনতা) নিয়ে কিছু লেখা খেতে পাওয়া যায়, এ ব্যপারে আপনার ধারনা কি?)

এটা অসুস্থ্য চিন্তা। 222 (89%)

এটা খুবই স্বাভাবিক 14 (5%)

সুযোগ পেলে আপনিও করবেন? 12 (4%)

http://sexpoll.blogspot.com জরিপের ফলাফল-11

(মেয়েদের জন্য) বিয়ের আগে যৌনতা নিয়ে আপনার ভাবনা কি?
বিয়ের আগে যৌনতার স্বাদ নিতে চাই। 84 (36%)

বিয়ের আগে যৌনতার স্বাধ নিয়েছি। 31 (13%)

বিয়ের আগে যৌনকর্ম করতে চাই না। 77 (33%)

বিয়ের আগে যৌন মিলন করিনি। 41 (17%)

Friday, November 11, 2011

যৌনমিলনের বাসনা কমে যাওয়া

লক্ষণ ও উপসর্গঃ
১। দুই মাসেরও বেশি সময় যাবৎ যৌন ক্রিয়ার প্রতি কোন আগ্রহ অনুভব না করা।
২। যৌনমিলন এড়িয়ে যাওয়া, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যৌনমিলনের বাসনা অত্যন্ত কম অনুভব করা, কিংবা যৌনমিলনের প্রতি দুঃশ্চিন্তা বা উদ্বেগ থাকা।
৩। কখনও কখনও আগেই বীর্যপাত ঘটা, যৌনমিলনের সময় ব্যথা হওয়া, ধ্বজভঙ্গ বা অক্ষমতা কিংবা তীব্র যৌন সুখ পেতে অক্ষমতা।

কী করা উচিতঃ
১। আপনার যৌনজীবন নিয়ে বিভিন্ন রকম অভিজ্ঞতা করে দেখুন- ভিন্নস্থানে যৌনমিলনে লিপ্ত হন, ভিন্ন অবস্থানে বা পজিশনে যৌনমিলন করুন, এবং একই সময়ে যৌনমিলনে লিপ্ত না হয়ে বরং বিভিন্ন সময়ে যৌনমিলনে লিপ্ত হোন।
২। যদি আপনার মধ্যে উদ্বেগ থাকে যে আপনি ঠিক মতো যৌনমিলনে সক্রিয় হয়ে উঠতে পারবেন কি না সেক্ষেত্রে সেটা আপনার যৌনসঙ্গীর সাথে আলাপ করুন, তবে যৌনমিলনের সময় এ কাজটি না করে আগে করুন।
৩। আপনাকে কোন বিষয়গুলো যৌনকার্যে সক্রিয় করে তোলে সে বিষয়ে আপনার সঙ্গীর সাথে আলাপ করুন।
৪। যৌন উদ্দীপক বইপত্র পড়ুন, যৌন উদ্দীপক ছবিও দেখতে পারেন, কিংবা যৌন বিষয়ক কল্পনাতেও নিজেকে নিয়োজিত করে দেখতে পারেন- অবশ্য যদি এগুলো আপনাকে আকর্ষিত করে তবেই।

কখন ডাক্তার দেখাবেনঃ
১। যদি যৌন মিলনের আগ্রহ কমে যাওয়ায় আপনার জীবনসঙ্গীর সাথে সম্পর্কতে ঝামেলা বা অসন্তোষের সৃষ্টি হয়।
২। যদি আপনার মধ্যে ধ্বজভঙ্গ বা এ সংক্রান্ত অক্ষতার জন্ম নেয়, কিংবা যদি যৌন মিলনের সময় যৌনাঙ্গে ব্যথা হয়।
৩। নিজে নিজে যৌন উদ্দীপ্ত হতে অক্ষম হলে, হয়তো আপনার কোন রোগ হয়েছে।
৪। যদি আপনার মনে হয় কোন ওষুধ সেবনের কারণে আপনার এই দশা হয়েছে।
৫। যদি এই কারণে আপনি বিষন্ন এবং বিষাদময় হয়ে ওঠেন।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেনঃ
১। স্ট্রেস বা চাপ কমাবার লক্ষ্যে যা কিছু করা প্রয়োজন করুন।
২। নিয়মিত ব্যায়াম চর্চা করুন, ভালো খাবার খান এবং প্রচুর পরিমাণে ঘুমান।
৩। আপনার জীবনসঙ্গীকে যথেষ্ট সময় দিন অর্থাৎ তার সাথে যথেষ্ট সময় অতিবাহন করুন।
৪। আপনাদের সম্পর্কের মাঝে কোন সমস্যা তৈরি হবার আগেই সমাধানের পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

http://sexpoll.blogspot.com জরিপের ফলাফল-10

(নারী ভিজিটরদের জন্য) কোন বয়সের ছেলেদের সাথে মিলিত হতে পছন্দ করবেন?
১৮-২০ 68 (38%)

২০-২২ 34 (19%)

২২-২৫ 30 (16%)

২৫-২৭ 19 (10%)

২৭-৩০ 16 (8%)

৩০-৩৩ 4 (2%)

৩৩-৩৫ 6 (3%)

৩৫-৩৮ 9 (5%)

আমার ধারণা ছিল ছেলেরা কচি মেয়ে পছন্দ করে, আর মেয়েরা একটু বেশী বয়সী ছেলে পছন্দ করে, কারণ একটু বেশী বয়সিরা ভাল খেলোয়াড় হয়, কিন্ত এই জরিপ আমার ধারণাকে ভূল প্রমান বরলো।

http://sexpoll.blogspot.com জরিপের ফলাফল-9

আপনি কোন বয়সে প্রথম পর্নো ছবি দেখেছেন?

১০ বয়সের মধ্যে 39 (13%)

১০-১২ এর মধ্যে 28 (9%)

১২-১৫ এর মধ্যে 49 (17%)

১৫-১৮ এর মধ্যে 74 (25%)

১৮-২০ এর মধ্যে 49 (17%)

২০-২৩ এর মধ্যে 22 (7%)

২৩-২৫ এর মধ্যে 12 (4%)

২৫-২৮ এর মধ্যে 1 (0%)
২৮-৩০এর মধ্যে 4 (1%)

৩০ বছর বয়সের পরে 7 (2%)

পোলাপান নাবালক থাকতেই পাইক্কা গেছে।

Monday, August 29, 2011

লক্ষ্য করুণ।

এই সাইটের জরিপ দেখে দেখা যাচ্ছে ভিজিটর হিসেবে নারী ভিজিটরও বেশ ভালই আছে। এখন পর্যন্ত জরিপ বলছে নারী ভিজিটরের সংখা ১৫%। এটা কম কথা নয়। তাই এখন থেকে জরিপে পুরুষ ভিজিটরদের পাশাপাশি নারী ভিজিটরদের জন্য আলাদা জরিপ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আশা করি নারী ভিজিটরেরা ভোট দিয়ে অনুপ্রানীত পরবেন।

http://sexpoll.blogspot.com জরিপের ফলাফল-8

কার সাথে একান্তে সময় কাটাতে পছন্দ করবেন?
সুমাইয়া সিমু 84 (20%)

শখ 88 (21%)

সারিকা 107 (26%)

অপি করিম 46 (11%)

প্রভা 43 (10%)

চৈতি 29 (7%)

তানজিকা 15 (3%)

পূর্ণিমা 82 (20%)

আর জে নওশিন 53 (13%)

জরিপের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে সারিকা প্রথম হয়েছে, সেকেন্ড হয়েছে শখ,থার্ড সুমাইয়া সিমু। তবে আমাকে অবাক করেছে পূর্ণিমার ৪র্থ হওয়া। এখনও এই বয়সে এসে এই কাঁচা বয়সের মেয়েদের সাথে প্রতিযোগীতায় সে ৪র্থ হয়েছে এটা কম কথা নয়। এই জরিপ দেখলে নিশ্চয় পূর্নিমা গর্বিত বোধ করতেন।


Thursday, June 23, 2011

যৌন মিলনের সময় ছেলেরা সাধারণত যে ভুলগুলো করে থাকে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমাদের দেশের ছেলেরা সেক্সের সময় মেয়েদের আনন্দ দেওয়ার চেয়ে তাদেরকে লোভনীয় খাদ্যের মত গপাগপ গিলতেই বেশি পছন্দ করে। তাই এদেশের বহু মেয়ের কাছে (সবাই নয়) চরম যৌন সুখ পাওয়া যেন এক বহু আরাধ্য বস্তু। ছেলেদের এই রাক্ষুসে মনোভাবের কারনেই অনেকসময় দেখা যায় যে তারা তাদের Relationship টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হয়। এমনকি এর ফলে বিয়ের মত অনেক বন্ধনও ধ্বংসের মুখে পড়ে যাচ্ছে, পরকীয়া প্রেমের সূত্রপাত ঘটছে। এর মূল কারনই হল সেক্স ও মেয়েদের যৌন ইচ্ছা-আকাঙ্খা সম্পর্কে ছেলেদের স্বচ্ছ ধারনার অভাব। বিদেশি ভাষায় এসব বিষয়ে অনেক বই পত্র থাকলেও বাংলায় তেমন নেই বললেই চলে। তাই কিছু বিদেশি বইয়ের সাহায্য নিয়ে ও নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সেক্সের সময় ছেলেদের যে সকল ভুলের কারনে তাদের সঙ্গিনীর বিরাগভাজন হতে হয় তার কয়েকটি সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরলাম। সময়ের অভাবে আপাতত এসকল ভুলের প্রতিকার ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জানার বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত লিখতে পারলাম না। তবে লেখা সবার ভালো লাগলে ভবিষ্যতে সম্পুর্ন বাংলায় একটা সারগর্ভ সেক্স গাইড লেখার কথা চিন্তা করব।

১. প্রথমে চুমু না খাওয়াঃ সেক্সের শুরুতেই সঙ্গিনীকে আদরের সাথে চুমু না খেয়ে তার যৌন কাতর স্থানগুলোতে (স্তন, যোনি, নিতম্ব, নাভী ইত্যাদি) চলে গেলে তার ধারনা হতে পারে যে আপনি তাকে টাকা দিয়ে ভাড়া করে দ্রুত সেই টাকা উসুল করার চেষ্টা করছেন। গভীরভাবে ভালোবাসার সাথে সঙ্গিনীকে চুমু খাওয়া দুজনের জন্যই প্রকৃতপক্ষে এক অসাধরন যৌনানন্দময় সেক্সের সূচনা করে।

২. দাড়ি না কামানোঃ অনেকেই দাড়ি না কামিয়ে সেক্স করেন, এই মনে করে যে আসল কাজ তো আমার হাত আর লিঙ্গের! কিন্ত যখন আপনার সঙ্গিনীকে চুমু খাবেন, তার স্তন চুষবেন, তার সারা দেহে জিহবা বুলাবেন এবং বিশেষ করে যখন তার যোনি চুষবেন তখন আপনার ধারালো খোচা খোচা দাড়ি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনার সঙ্গিনীকে আনন্দ নয় বরং অসস্তি ও ব্যথা দেবে। তাই সেক্সের আগে ভালোমত দাড়ি কামিয়ে নেয়া উচিত।

৩. প্রথম থেকেই জোরে জোরে স্তন টিপাঃ বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায় ছেলেরা মেয়েটির স্তন হাতের কাছে পাওয়া মাত্রই এমনভাবে টিপা শুরু করে যেন ময়দা মাখাচ্ছে। কিছু Extreme মেয়ে এরকমটা পছন্দ করলেও বেশীরভাগ মেয়েই চূড়ান্ত উত্তেজিত হওয়ার আগে এরকম করাতে বেশ ব্যথা পায়। তাই প্রথমে নিজের উত্তেজনাকে একটু দাবিয়ে রেখে হলেও ধীরে ধীরে আদরের সাথে ওর স্তনে হাত বুলিয়ে বুলিয়ে টিপা শুরু করতে হবে। তবে মেয়েই যদি জোরে টিপতে বলে তবে সেক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই।

৪. স্তনের বোটায় কামড় দেয়াঃ কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় কোন মেয়েই সরাসরি তাদের স্তনের বোটায় কামড় খেতে পছন্দ করে না। ছেলেরা মনে করে এখানে কামড় দিলে তাকে বেশি বেশি উত্তেজিত করে তোলা যায়। হ্যা কথাটা আংশিক সত্যি। তবে এর সবচেয়ে ভালো উপায় হল। প্রথমে মুখের ভিতরে যতটুক পারা যায় স্তনটা পুরো বা আংশিক ভরে নিতে হবে তারপর হাল্কা করে দাত বুলানোর মত করে মুখ থেকে স্তনটা বের করতে করতে নিপলে আলতো ভাবে দুই দাঁতের ছোয়া লাগাতে হবে।

৫. আঙ্গুল দিয়ে স্তনের বোটা মোড়ানোঃ অনেক ছেলে এমনভাবে সঙ্গিনীর বোটা আঙ্গুল দিয়ে মোড়ায় যেন তারা রেডিও টিউন করছে। এটা ঠিক নয়। হতে পারে বোটা মেয়েদের স্তনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর স্থান, কিন্ত শুধুই বোটায় এরকম করলে সেটা আনন্দদায়ক নয়, বরং কিছুটা যন্ত্রনাদায়ক (Teasing) । তাই একহাতের আঙ্গুলে বোটা নিয়ে খেলার সময় অন্য হাত দিয়ে সম্পুর্ন স্তনের উপরও নজর রাখতে হবে।

৬. সঙ্গিনীর দেহের অন্যান্য অঙ্গের দিকে মনোযোগ না দেয়াঃ সেক্সের সময় ছেলেদের একটা কথা সবসময় মনে রাখতে হবে যে মেয়েদের স্তন, যোনি আর নিতম্ব এই তিনটিই তাদের একমাত্র যৌনকাতর স্থান নয়। ছেলেদের মূল যৌন কাতর অঙ্গ তাদের দেহের মাত্র কয়েকটি স্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও মেয়েদের প্রায় পুরো দেহই স্পর্শকাতর (মেয়েদের দেহের কোন কোন অংশ গুলো বেশি যৌনকাতর তা আপাতত এই সংক্ষিপ্ত রচনায় আর ব্যাখ্যা করছি না।)।তাই তার দেহের এমন একটি স্থানও যেন না থাকে যেখানে ছেলেটির ঠোটের বা হাতের স্পর্শ যায়নি।

৭. ছেলের হাত আটকে যাওয়াঃ সঙ্গিনী যদি আক্রমনাত্নক (Aggressive)সেক্স পছন্দ করে অথবা ছেলে নিজেই চরম উত্তেজিত হয়ে মেয়ের যোনি, স্তন ইত্যাদি স্পর্শ করার জন্য পাগলের মত হাতরাতে থাকে তবে মেয়েটির প্যান্টি বা ব্রা তে তার হাত আটকে যেতে পারে। ফলে বাধ্য হয়ে থেমে সেটা ছাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে যে রোমান্টিক যৌনতার একটা আবেশ (Mood) তৈরী হয়েছিল তা নস্ট হয়ে যেতে পারে। তাই বেশি Aggressive সেক্স শুরুর আগেই ব্রা-প্যন্টি খুলে নেওয়া ভালো।

৮. ভগাঙ্কুরে আক্রমনঃ অনেক ছেলেই মেয়ের যোনি চুষতে গিয়ে তার ভগাঙ্কুরে (clitoris) জোরে জোরে আঙ্গুল ঘষে বলতে গেলে আক্রমনই করে বসে। যারা জানেন না তাদের জন্য বলছি ভগাঙ্কুর হলো মেয়েদের সবচেয়ে যৌনকাতর স্থানগুলোর একটি। এর অবস্থান হল যোনির ফুটোর আশেপাশে যে পাতলা চামড়ার মত অংশ (labia) আছে তার উপরের দিকে, মেয়েদের প্রস্রাবের রাস্তার নিচে। মেয়েরা যৌনত্তেজিত হলে এই স্থানটি শক্ত হয়ে একটু ফুলে যায় ফলে তা সহজেই দেখা যায়। এই স্থানটি চরম স্পর্শকাতর হলেও এতে জোরে জোরে আঙ্গুল ঘষা মেয়েদের জন্য পীড়াদায়ক। তাই প্রথম দিকে এতে একটু ধীরে ধীরে আঙ্গুল ঘষতে হবে।

৯. একটু থেমে বিশ্রাম নেওয়াঃ ছেলেরা যেমন চরম উত্তেজনার পথে সামান্য সময়ের জন্য থেমে গেলেও আবার সেই স্থান থেকেই শুরু করতে পারে, মেয়েদের পক্ষে এটা সম্ভব হয়না। তাদের উত্তেজিত হতে যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন। চরম উত্তেজিত হবার পথে হঠাৎ থেমে গেলে তারা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়, ফলে আবার নতুন করে তাদের উত্তেজিত করে তুলতে হয়। তাই যত কষ্টই হোক মেয়েটির চরম উত্তেজনা না আসা পর্যন্ত তাকে আদর করা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্ট করতে হবে।

১০. এলোমেলোভাবে সঙ্গিনীর কাপড়চোপড় খুলতে থাকাঃ অনেক ছেলেই অতিরিক্ত উত্তেজনায় যেনতেনভাবে তার সঙ্গিনীর কাপড় চোপড় খুলতে থাকে ফলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যেমন ছেলেটি মেয়েটির গেঞ্জি খুলতে গেলে ওর হাতে আটকে যায় বা জিন্স খুলতে গেলে প্যান্টির সাথে আটকে যায়। এরকম হলে মেয়েটি একটি অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়ে যায়। এমনিতেই নারীসুলভ লাজুকতায়, নিজের স্বামীর সামনেও নগ্ন হতে গিয়ে অনেক স্ত্রীর সামান্য লজ্জা লাগতে পারে, যা তার যৌনসুখের পথে বাধা হয়ে দাড়ায়। এছাড়াও একটি ছেলে তার কাপড় খুলতে গিয়ে তাকে অর্ধনগ্ন করে আটকে গিয়েছে, এরকম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে মেয়েরা পড়তে চায় না। তাই ছেলেদের অত্যন্ত যত্নের সাথে মেয়েটির কাপড় খুলে তাকে তার নগ্নতার লজ্জাকে কাটিয়ে উঠার সুজোগ দিতে হবে। তবে দুজনের সম্মতিতে উম্মাদ-মাতাল সেক্সের ব্যপার-স্যপার হলে অন্য কথা!

১১. মেয়ের অন্তর্বাস নিয়ে টানাটানি শুরু করাঃ সেক্সের সময় সঙ্গিনীর ব্রা-প্যান্টির উপর দিয়ে হাত বুলিয়ে দেওয়া এমনকি এর উপর দিয়ে চাটা মেয়েটির জন্য অত্যন্ত সেক্সী আনন্দদায়ক হলেও তার ব্রা-প্যান্টি নিয়ে টানাটানি করাটা নয়। এতে তার সংবেদনশীল স্থানগুলোতে ব্যথা লেগে পুরো সেক্সের মুডটাই নস্ট হয়ে যেতে পারে। তাই এক্ষেত্রে সাবধান!

১২. সঙ্গিনীর যোনির প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত থাকাঃ অনেক ছেলে মেয়েদের যোনি চোষাটা ঘৃন্য মনে করলেও বেশির ভাগ ছেলেই একবার মুখ দিয়ে সেখানের স্বাদ অনুভব করার পর থেকে এর পরতি চরমভাবে আসক্ত হয়ে পড়ে। এমনকি যারা যোনি মুখ দেয়ও না তারাও অন্তত হাত দিয়ে হলেও মেয়েদের সবচাইতে গোপন স্থানটিকে বারবার আদর করার লোভ সামলাতে পারেন না। সেটা ঠিক আছে। কিন্ত অনেকেই এর প্রতি এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ে যে দেখা যায়, তার সঙ্গিনীর যে যোনি ছাড়াও যৌনসংবেদী প্রায় পুরো একটা দেহই রয়েছে সে কথা ভুলে যায়। তাই সেক্সের শুরুতেই এমনকি বেশিরভাগ সময়ই মুখ দিয়ে না হলে হাত দিয়ে ঘুরেফিরে যোনিটাকেই বেশি উত্তেজিত করার চেষ্টা করে। কিন্ত এর জন্য সঙ্গিনী পুরো সময়টাই অসহ্যবোধ করে কারন ছেলেদের মত শুধু লিঙ্গতে সুখ পেয়েই তারা এত সহজে যৌনত্তেজিত হতে পারে না। মেয়েরা তাদের সারা দেহেই তার সঙ্গীর আদর পেতে চায়।

১৩. রুক্ষভাবে সঙ্গিনীর দেহে ম্যাসাজ করাঃ সেক্সের সময় সঙ্গিনীকে উত্তেজিত করে তোলার জন্য যে শৃঙ্গার (Foreplay) বা যৌন আদর করা হয় তার মধ্যে অন্যতম হল তার সারা দেহে ম্যাসাজ করে দেয়া। বিশেষ করে কর্মজীবী মেয়েদের সঙ্গীরা এই উপায়ে সারাদিন কাজ থেকে ফিরে ক্লান্ত অবসন্ন সঙ্গিনীর নিস্তেজ দেহকে এভাবে সেক্সের জন্য প্রস্তুত করে তুলতে পারেন (এ ব্যাপারে এখন বিস্তারিত কিছু বলছি না কারন, সেক্সুয়াল ম্যাসাজ করা নিয়ে একটা পুরো একটা বইই লিখে ফেলা যায়। তাই এখন নয়)। তবে নিজের উত্তেজনায় অনেক ছেলেই সঙ্গিনী ব্যাথা পাচ্ছে কিনা একথা চিন্তা না করেই জোরে জোরে রুক্ষভাবে ম্যাসাজ করতে থাকে। এরকম করাটা পরিহার করতে হবে।

১৪. মেয়ের আগেই নিজের কাপড় খুলতে শুরু করাঃ মেয়ে কোন কিছু করার আগেই কেউ তার কাপড় চোপড় খোলা শুরু করবেন না। মেয়ে যতক্ষন পর্যন্ত না উত্তেজিত হয়ে আপনার কাপড় খোলায় মনোযোগ না দেয় ততক্ষন পর্যন্ত নিজে কিছু করার দরকার নেই। মেয়ে যদি আপনার প্যান্টের বোতাম খুলতে চেষ্টা করে, শার্ট টেনে ধরে ইত্যাদি কাজগুলোই আপনার কাপড় খোলার জন্য মেয়েটির থেকে সংকেত বলে ধরে নিতে হবে।

১৫. প্রথম থেকেই জোরে জোরে মৈথুন করাঃ লিঙ্গেমেয়ের তপ্ত যোনির স্পর্শ সব ছেলের জন্যই পাগল করে দেওয়া এক স্পর্শ। বেশিরভাগই এ স্পর্শে উম্মাদের মত হয়ে গিয়ে যোনিতে লিং ঢুকার সাথে সাথেই এমনভাবে মৈধুন (থাপানো!!!) করতে থাকে যেন আজ আজই যোনি থেকে বাচ্চা বের করে ফেলবে। কিন্ত এভাবে শুরু করলে বেশ কিছু সমস্যা হয়। প্রথমত, এভাবে জোরে জোরে মৈথুন করলে মেয়েটির যোনি রসে টইটম্বুর হলেও যোনির ভিতরে, বিশেষ করে বেশি টাইট হলে, ছেলেটির লিঙ্গের অবস্থানের সাথে মেয়েটি অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারে না। ফলে তার যৌনসুখ অনেকখানি কমে যায়। এছাড়াও প্রথমে এভাবে জোরে জোরে শুরু করলে কি্ছুক্ষন এভাবে মৈথুন করেই ছেলেটি একটু হাপিয়ে যেতে পারে, তাই স্বভাবতই পরে সে আস্তে আস্তে মৈথুন করতে থাকে। কিন্ত মেয়েটি জোরে মৈথুন করায় যে মজা পেয়ে যায়, পরবর্তীতে এ আস্তে আস্তে করায় তার তৃপ্তি কমে যায়। তার উপর যে সময়টিতে মেয়েটির অর্গাজম (চরম সুখ) সমাগত, সেই সময়েই মেয়েটি চায় আরো বেশি উগ্রভাবে তার সঙ্গীর থাপ খেতে। তাই প্রথমে আস্তে আস্তে শুরু করে তারপর মৈথুনের জোর বাড়াতে হবে।

১৬. শক্ত করে সঙ্গিনীর উপর চড়াও হওয়াঃ আশা করি ছেলেদেরকে মনে করিয়ে দিতে হবে না যে মেয়েদের দেহ তাদের চেয়ে হাল্কা ও নরম? তাই Missionary স্টাইলে মেয়েটির উপরে উঠে সেক্স করার সময় নিজের দুই পায়ের উপর ভালোমত ভর দিয়ে মৈথুন করতে হবে। আপনার শক্ত দেহের জোর চাপ সঙ্গিনীর উপর পড়লে সে সেক্সটা উপভোগ করতে পারবে কিনা তা বলাই বাহুল্য।

১৭. দ্রুত বীর্যপাত করাঃ ছেলেদের সবচেয়ে বড় ভয়। সবার পক্ষে অবশ্য দ্রুত বীর্য পাত নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব নয়। অনেকেরই এতটাই দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় যে তারা তাদের যৌনসঙ্গিনীকে ঠিকমত আনন্দই দিতে পারেন না, এমনকি নিজেরাও আনন্দ থেকে বঞ্চিত হন। দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা দূর করার নানা পদ্ধতি আছে আপাতত তা উল্লেখ করলাম না। তবে যাদের এ সমস্যা হয় তারা এর জন্য সাময়িকভাবে এক কাজ করতে পারেন। সেক্সের আগে অন্তত একবার হস্তমৈথুন করে নেবেন, তারপর সেক্সের শুরুতে সঙ্গিনীকে আদর (Foreplay) করার সময় তার যোনি চুষা ও তাতে আঙ্গুল ঢুকানো ছাড়া বাকি প্রায় সব কিছুই করবেন। আর ওকে আপনার লিঙ্গ চুষতে দেবেন না। ওকে পর্যাপ্ত উত্তেজিত করে যোনিতে লিঙ্গ ঢুকিয়ে থাপ দেয়া শুরু করবেন। যখনি মনে হবে আপনার বীর্যপাত হতে যাচ্ছে, আপনার লিঙ্গ যোনি থেকে বের করে আনবেন। তারপর নিচু হয়ে ওর যোনি চুষতে চুষতে সেখানে দুই আঙ্গুল ঢুকিয়ে আবার বের করতে থাকবেন। আপনার লিঙ্গ সামান্য শিথিল হয়ে এলে আব্র উঠে ওকে থাপাতে থাকবেন, তারপর বীর্যপাতের সময় হলে আবার বের করে ওর যোনিতে নেমে যাবেন। এভাবে যতক্ষন সম্ভব চালিয়ে যাবেন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনীও মজা পাবে আর আপনারও টাইম একটু হলেও বাড়বে।

১৮. বেশি বিলম্বে বীর্যপাতঃ এটা আবার দ্রুত বীর্যপাতের বিপরীত সমস্যা। অনেকেই আছেন যারা একনাগারে অনেক্ষন ধরে সঙ্গিনীর যোনিতে মৈথুন করে যেতে পারেন, যদিও এদের সংখ্যা খুব বেশি নয়। মেয়েরা অবশ্য এরকটাই পছন্দ করে। কিন্ত অনেকসময় দেখা যায় যে ছেলেটির বীর্যপাত হতে এত বেশি দেরী হয় যে মেয়েটি অধৈর্য হয়ে পড়ে। তাই বীর্যপাত হতে দেরী হলে শুধুই ষাঁড়ের মত সঙ্গিনীকে থাপিয়ে যাবেন না। ফাকে ফাকে ওর স্তন চুষুন, চুমু খান এবং বিশেষকরে পজিশন পরিবর্তন করুন।

১৯. সঙ্গিনীকে জিজ্ঞাসা করা তার অর্গাজম হয়েছে কিনাঃ কতিপয় বোকাোা এই কাজটা করে থাকে। বেশিরভাগ মেয়েরই অর্গাজম হলে শীৎকার করে উঠে। আর না করলেও তার দেহের ভঙ্গিমাতেই এটা বুঝে নিতে হবে। তাকে এটা জিজ্ঞাসা করা চূড়ান্ত বোকামী।

২০. ঘেন্নার সাথে যোনি চুষতে যাওয়াঃ আমাদের দেশেঅনেক ছেলেই মেয়েদের যোনি চুষতে চায় না। অনেক সময় স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ডের অনুরোধে বহুকষ্টে যোনিতে মুখ দিলেও তা কোনমতে ঘেন্নার সাথে হাল্কা পাতলা চুষে। এমনটি কখনোই কর যাবে না। এভাবে হাল্কা করে চুষতে গেলে সঙ্গিনী সে স্পর্শ সঠিকভাবে পাওয়ার জন্য আরো উতলা হয়ে উঠে। ফলে সে স্বাদ পাওয়ার জন্য সে অন্যপুরুষের স্মরনাপন্ন হতে পারে। তাই একাজটা মনোযোগ দিয়ে করতে হবে। আপনার ভালোবাসার মানুষের সবকিছুই তো ভালো লাগতে হবে তাইনা? এজন্য ওকে পরিছন্ন থাকতে বললে সে মাইন্ড করবে বলে মনে হয়না। তাছাড়া ও যদি আপনার লিঙ্গ চুষতে অনিচ্ছুক থাকে তাহলে দেখবেন আপনার যোনি চুষার প্রতিদানে ওও একসময় নিজে থেকেই আপনার লিঙ্গ চুষতে চাবে।

২১. সঙ্গিনীর মাথা নিচের দিকে চেপে ধরাঃ সঙ্গিনী যদি Aggressive হয়ে ছেলের দেহে আদর করতে থাকে। যেমন, ছেলের বুকে জিহবা দিয়ে চেটে দিতে থাকে তবে তারা অনেক সময় মেয়েটির মাথা ঠেলে নিচে তার লিঙ্গের কাছে নিয়ে যেতে চায়। এরমকমটা করা যাবে না। কারন মেয়ে যখন Aggressive মুড এ থাকবে তখন সেই চাবে আপনাকে Control করে আনন্দ দিতে।

২২. বীর্যপাতের পূর্বে সঙ্গিনীকে সতর্ক না করাঃ যখন যোনির ভেতরে কনডমবিহীন লিঙ্গ থাকবে, তখন বীর্যপাতের পূর্বে কেন সঙ্গিনীকে সতর্ক করতে হবে তা আশা করি বলে দিতে হবে না। কারন আপনার সঙ্গিনী বার্থকন্ট্রোলে নাও থাকতে পারে। আর ও যখন আপনার লিঙ্গ চুষবে, বিশেষ করে প্রথমবার, তখন অবশ্যই ওকে সাবধান করতে হবে। কারন বীর্যপাতের স্বাদ ও গন্ধ অনেকটা সমুদ্রের নোনা পানির সাথে ডিমের সাদা অংশের মিশ্রনের মত; অনেক মেয়ের তা ভালো নাও লাগতে পারে। তাই এক্ষেত্রে সাবধান।

২৩. সঙ্গিনী লিঙ্গ চুষার সময় নড়াচড়া করাঃ সঙ্গিনী লিঙ্গ চুষার সময় নড়াচড়া করলে এটা তার জন্য যথেষ্ট বিরক্তির কারন হয়ে দাঁড়ায়। ওই যা করার করবে, আপনি নিজে থেকে আপনার লিঙ্গ ওর মুখে ঠেলে দিতে যাবেন না। ওর মাথা চেপেও ধরা যাবে না। মেয়েকে লিঙ্গ চুষতে দেওয়ার সময় সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে শুয়ে থাকা, বা বিছানার কিনারায় বসে থাকা, দাঁড়ানো নয়।

২৪. Porn video থেকে কিছু শেখার চেষ্টা করাঃ মনে রাখবেন পর্ন ভিডিওতে যা দেখান হয় তার সবই সত্য নয়। বেশিরভাগ পর্ন ভিডিওতে যেসব মেয়েরা পারফর্ম করে তারা সবাই সোজা বাংলায় াগি টাইপের। তাই তারা তাদের মুখের উপর ছেলেদের বীর্য ফালানো, বীর্য খেতে, পিছনদিয়ে (নিতম্বের ফুটো) ছেলেদের লিঙ্গ ঢোকানো ইত্যাদি পছন্দ করা দেখে কেউ বিভ্রান্ত হতে যাবেন না। বাস্তবের চিত্র অনেকাংশেই ভিন্ন। এক্ষেত্রে আপনার সঙ্গিনীর সাথে খোলামেলা হলেই তার পছন্দ অপছন্দ পরিস্কার হয়ে যাবে।

২৫. অনেক্ষন ধরে মেয়েকে উপরে রেখে মৈথুন করতে দেয়াঃ স্বভাবতই মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় দূর্বল তাই তাকে অনেক্ষন ধরে উপরে থেকে আপনাকে থাপ দিতে দেওয়া উচিত নয়। এতে সে ক্লান্ত হয়ে পড়বে। তাছাড়াও ও যখন আপনার উপরে থাকবে তখন আপনিও নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকবেন না যেন…ওর স্তন গুলো টিপে দিন, আদর করুন, মাঝেমাঝে ওর মুখখানি টেনে এনে চুমু খান যেন ও একঘেয়ে হয়ে না পড়ে।

২৬. সঙ্গিনীর অনিচ্ছায় পিছন দিয়ে ঢুকানোঃ এই ভুলটুকু কোনমতেই করবেন না। ছেলেদের পিছনের ফুটোয় কিছু ঢুকালে তার সাহায্যে তার প্রস্টেট গ্রন্থি নামক এক অঙ্গে আনন্দ দেয়া যায়, একে ছেলেদের একপ্রকার অর্গাজম বলে (বিস্তারিত পরে)। কিন্তু মেয়েদের প্রস্টেট গ্রন্থিই নেই। তাই তাদের জন্য পিছন দিয়ে লিঙ্গ ঢুকানো খুব সুখকর অভিজ্ঞতা নয়। তাই শুধুমাত্র সঙ্গিনী চাইলেই এটা করতে হবে।

২৭. ছবি তোলাঃ আহা! এতক্ষনে আসল কথায় এলাম। বিভিন্ন সাইটে বাংলাদেশের যেসব পর্ন দেখা যায় তার ৯০% হল গোপন ক্যামেরায় তোলা। তবে আমি যারা গোপন ক্যামেরায় এভাবে ছবি তুলে তাদের মানা করতে যাবো না, কারন জানি কোন লাভ নাই, তারা এমনটি করবেই। তবে অনেক ছেলে আছে যারা সঙ্গিনীকে দেখিয়েই ছবি তুলে বা ভিডিও করে। এরকম অবস্থায় আপনার সঙ্গিনী যদি নেহায়েত একটা াগি না হয় তবে তাকে ছবি তুলতে দেওয়ার অনুরোধ করতে যাবেন না। কারন “তোমার একটা ছবি তুলি?” এই কথা ওকে বললে তার কানে এই কথাটাও বাজবে, “……আমার বন্ধুদের দেখানোর জন্য বা সাইটে পোস্ট করার জন্য”

Sunday, May 22, 2011

http://sexpoll.blogspot.com জরিপের ফলাফল-7

যৌন মিলন শুরুর আগে আপনার পার্টনারকে কোন পোষাকে পছন্দ করবেন?

শাড়ী ব্লাউজ 167 (37%)

সালোয়ার কামিজ 27 (6%)

টিশার্ট, জিন্স 38 (8%)

ব্রা, পেন্টি 128 (28%)

নগ্ন 86 (19%)


Votes so far: 446

Sunday, February 13, 2011

http://sexpoll.blogspot.com জরিপের ফলাফল-6

সেক্স এর কোন অংশটি বেশী উপভোগ করেন?

লিপ কিস 50 (22%)
স্তন নিয়ে খেলতে 82 (37%)
সারা শরীরে চুমু খেতে 45 (20%)
সঙ্গম করতে 44 (19%)

Sunday, February 6, 2011

ড. মেহতাব খানমের ইমেইল ঠিকানা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহতাব খানম দীর্ঘদিন ধরে কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিষয়টি পড়াচ্ছেন। তিনি আপনার শারীরিক মানসিক বিভিন্ন সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান দেবেন।প্রয়োজনে উনাকে ইমেইল করতে পারেন। উনি গুরুত্বপূর্ণ মেইল গুলোর জবাব দিয়ে থাকেন। mtbkhanom@yahoo.com

Wednesday, December 1, 2010

বাহ! বাঙ্গালী চোষা শিখে গেছে। http://sexpoll.blogspot.com জরিপের ফলাফল-৫

স্ত্রী অথবা বান্ধবির যৌনাঙ্গ চোষা বা ওরাল সেক্স কি পছন্দ করেন?

হ্যাঁ 126 (74%)
না 31 (18%)
মাঝে মাঝে 12 (7%)

Friday, October 8, 2010

ইসলাম ধর্মে ওরাল সেক্স বা মুখমেহন!

সংগৃহীত...

মুখমেহন বা ওরাল সেক্স ইসলাম ধর্মে একটা বিতর্কিত বিষয়, কোন কোন বিদ্ব্যান এটাকে সমর্থন করেছেন আবার কেউ করেন নি, মোটামুটি ভাবে বলা যায় যে বিষয়কে কোরানে 'হারাম' অথবা হাদিসে নিষিদ্ধ বলে চিহ্নিত করে হয়নি তা বৈধ। আর এই নীতিকে ভিত্তি করলে মুখ মেহন বা ওরাল সেক্স একটি গ্রহনযোগ্য পদ্ধতি, এবং তা যদি বৈধ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রয়োগ হয় তবে এটা অন্যান্য যৌনপ্রনালীর মতই বৈধ। ইসলাম ধর্মে শুধু দূটো ব্যাতিক্রমের কথা পরিস্কার উল্ল্যেখ আছে, ১) পায়ুগমন বা মৈথুন ২) স্ত্রীর মাসিক বা রজঃস্রাব চলাকালীন সময়ে যৌন ক্রীড়ায় মত্ত হওয়া।

মুখমেহন ধারনাটি হুদাইবিয়া চুক্তির মতন একটা ঐতিহাসিক বিষয়ের সমসাময়িক, সহি বুখারী শরীফে এক উল্ল্যেখ আছে, এতে বোঝা যায় রাসুল সাঃ'র সাহাবীরা এই সমন্ধে ওয়াকিবহাল ছিলেন।

হুদাইয়বিয়া চুক্তি চলাকালিন সময়ে আবু বকর 'উরোয়া বিন মাসুর থাকাফি' কে বলেছিলেন "লা'ত র ক্লিটোরিস চোষ" ( লা'ত সেই সমকালীন একজন দেবীর নাম) পাকিস্তানী একদলের মতে মুখমেহন অবৈধ নয় কিন্তু পছন্দনীয় ও নয়। আল তাবারি হ'তে উদ্ধৃতিঃ

وكان عبد مناة بن كنانة تزوج هند بنت بكر بن وائل ...... أبو بكر امصص بظر اللات واللات طاغية ...
تاريخ الطبري - الطبري ج 2-
"Suck the clitoris/vagina of Laat"

ডঃ কারাদাই, এক সুন্নী মতবাদে বিশ্বাসী বিদ্বান এক ফতোয়াতে 'কিছু সর্তাধীন' ভাবে মুখমেহনকে বৈধতা দেন। সিয়া ইমাম আল-খোয়েই বলেন, " স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মুখমেহন অবৈধ নয় (হারাম নয়)। সালাফী মতাবলম্বী বিদ্বানদের মতে "মুখমেহন সম্পূর্ন বৈধ কারন, আল্লাহর রাসুল স্ত্রীর সাথে পূর্বরাগ (ফোরপ্লে) উতসাহিত করেছেন, বলেছেন এতে করে দুজনের মধ্যে প্রেম ভালবাসা সমঝোতা বৃদ্ধি পায়"। ডঃ হেবা কোতব, মিশরীয় টেলিভিশনে যৌন বিষয়ক পরামর্শ দিয়ে থাকেন বলেন, "মুখমেহন বৈধ কারন, এটাকে অবৈধ ঘোষনা করে কোন দলিল নেই"।
স্ত্রীর স্তন ও যোনী লেহন/চোষনঃ

ইসলামে এর বিরোধী কিছু বলা হয়নি, সুতরাং এটা স্বামী ও স্ত্রীর ব্যাক্তিগত পছন্দ অপছন্দের উপর নির্ভর করছে যে, ওরা এটা করবে কি না। স্বামী তার স্ত্রীর স্তন দলাই মলাই করতে পারেন, তার স্তনবৃন্ত (নিপল) ও স্তন চুষতে পারেন।

মালিকি মতাবলম্বীরা যোনী লেহন অনুমোদন করেন। কারন এটা হারাম নয় আর 'মাকরুহ' ও নয়। ইমাম মালিকি বলেছেন 'জিভ দিয়ে যোনী লেহন হারাম নয়' বলা হয় যখন কেঊ প্রশ্ন করেছিলেন, 'স্ত্রীর যোনীদেশে চুমু খাওয়া ভাবে কি'? তখন তিনি বলেছিলেন, 'কোন সমস্য নেই'।

পুরুষাংগ ছোয়া বিষয়েঃ

'যদি ছোয়া যায় তাহলে পরিস্কার থাকলে চুমুও খাওয়া যায়'। এই বিষয়ে ইমাম আল মুয়াত্তা ইমাম মুহাম্মাদ বলেন, 'ইসলাম ধর্মে কেউ কেউ এই বিষয়ে তর্ক করেছেন যে, যৌনাংকে নাপাক বলা যাবে না কারন এটা শরীরেই অন্যান্য অংগের মত একটা অংগ, এটা ছুইলে অযু ভংগ হয় না'।

যখন এক সাহাবী তাকে প্রশ্ন করেছিলেন 'শিষ্ম স্পর্শ করলে অযু করতে হবে কি? হযরত বলেন 'না এটা শরীরেরই একটা অংশ"। হানাফী মতানুসারী্রা দাবী করেন 'লিংগ স্পর্শ করা লজ্জাজনক কিছু নয়" সহি হাদিস। আল মুয়াত্তা ইমাম মুহাম্মাদ যুক্তি দেখান "এটা নাপাক নয়" আর এই বিষয়ে জোর দেন যে, যদি নাপাক হয় তবে তাকে শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে দিতে হবে'। এটা দাবী করে যে, লিংগ শরীরের অন্যান্য অংগের মত একটা অংগ। মোহাম্মাদ বিন আল হাসান আল সাইবানী'র মতে বিদ্বানরা হযরত আবু হানিফার মতবাদকে উল্ল্যেখ করেছেন, হামাদ বিন ইব্রাহিম ও হযরত আলি বিন আবু তালেব'র উদ্ধৃতি দিয়েছেন, "এটাতে কোন ক্ষতি নাই, আমি স্পর্শ করি, না হয় এটা আমার নাকে উপর' (এটা একটা রূপক কথা, তিনি যে মিথ্যা বলেন নি এটাকে জোর দেবার জন্যা এই কথার অবতারনা) আবু হানিফা বলেন, হামদ বিন ইব্রাহিমের উদ্ধৃতিতে ইবন মাসুদ জিজ্ঞেস করেছিলেন। 'লিংগ স্পর্শ করার ফলে উযু করতে হবে কি'? তিনি জবাব দিলেন 'যদি নাজায়েয হয় তবে কেটে ফেল' তার মানে কোন ক্ষতি নেই। আবু হানিফা আরো বলেন এবার হামাদ বিন ইব্রাহিম ও সাদ আবু ওয়াক্কাস'র উদ্ধৃতি 'দেখলাম এক ব্যাক্তি তার লিংগ ধৌত করছে, বল্লাম 'তুমি কি করছ? এটার দরকার নেই'। তবে ইমাম হানিফা প্রশ্রাব করার পর লিংগ ধৌত করার ব্যাপারে জোর দিয়েছেন। তালক বিন আলি (বিন আল মুন্ধির বিন কায়েস) একবার হযরতের উদ্ধৃতিতে বন, একবার আমরা হযরতের সামনে ছিলাম এক বেদুইন এসে তাকে প্রশ্ন করলেন ' ও হযরত যদি কোন মানুষ তার নিজ লিংগ স্পর্শ করে তাতে কি উযু করতে হবে?' হযরত উত্তর দিলেন 'এটাতো শরীরেরই একটা অংশ'।
মুখ মেহন ও খতনাঃ

যদি লিংগ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন না থাকে তাহলে শাররীক অসুবিধাও হতে পারে, ডাক্তারি কোন সমস্য দেখা দিতে পারে, খত্নাকৃত লিংগকে স্বাস্থ্যসম্মত গন্য করা হয়। মুখমেহনের বেলায় স্ত্রীরাও এটাকে পছন্দ করে। যৌনকেশ মুন্ডন বা সেভ করা ইসলাম ধর্মে তাগিদ করা হয়েছে।

মুখমেহন ও পূর্বরাগ (ফোরপ্লে)ঃ

'মুখমেহন কোন যৌন বিকৃতির কারন যেন না হয়' বলা হয়েছে। এবং স্ত্রীদের অনুমোদন সাপেক্ষেই আর দুজনের চরম পুলকের কথা মনে রেখে করতে উপদেশ দেয়া হয়েছে। ডঃ হেবা কোতব জোর দিয়ে বলেন, "স্ত্রীদেরও যৌনক্রীড়া উপভোগ করা উচিত, মুখমেহন একটি ফোরপ্লে, আর ইসলাম ফোরপ্লেকে জোর দিয়েছে'। হাম্বালী মতাবলম্বীদের কিতাবে আছে, "স্বামীরা তাদের স্ত্রীদের স্তন মাঝে, অথবা তাদের থাই (পায়ের) মধ্যে নিজ লিংগ ঘষে বীর্যস্খলন করতে পারবে, এটা বৈধ'।

পূর্বরাগ বা ফোরপ্লে পদ্ধতিঃ

উবায়দুল্লাহ বিন যুরায়রা'র একজন বৃদ্ধ প্রতিবেশী ছিল যার একজন যুবতী দাসী ছিল (সে সময় আরব দেশে দাস প্রথা ছালু ছিল, আর দাসীর সাথে যৌন সম্পর্ক একটা স্বাভাবিক কাজ ছিল) বৃদ্ধা তার দাসীকে যৌন সুখ দিতে পারত না, তখন দাসী তার মালিককে তার যোনীতে আংগুল প্রবেশ করাতে বলত আর এইভাবেই সে চরম পুলক পেত, বৃদ্ধ কাজটি করত কিন্তু তার মন সায় দিত না, একদিন সে উবারদুল্লাহ কে অনুরোধ করল যে, "তুমি দয়া করে ইমাম সাহেবকে জিজ্ঞেস করবে আমার হয়ে, যে কাজটি ঠিক হচ্ছে কিনা"! উবায়দুল্লাহ ইমাম আলি আর রিজা (আঃ) কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন 'যদি সে নিজ শরীরের যে কোন অংশ ব্যাবহার করে তাহলে কোন ক্ষতি নাই, তবে নিজ শরীরের অংশ ছাড়া অন্য কিছু ব্যাবহার করা যাবে না'।

নবী সাঃ বলেন, "তোমাদের মধ্যে কেউ তাদের স্ত্রীদের সাথে পশুর মত যৌনাচার করবে না, বরং দুজনের মধ্যে দূত রাখবে'। যখন দূত সমন্ধে ব্যাখ্যা চাওয়া হল তিনি বললেন 'চুমু খাওয়া আর কথাবার্তা'।
যৌন তৃপ্তি সমন্ধেঃ

পবিত্র কোরান শরীফে সুরা মুমিনুনের আলোকে পাচ থেকে সাতজন বিদ্ব্যান বলেছেন, "স্বামী তার যৌন তৃপ্তির জন্য পায়ূ মৈথুন ছাড়া যে কোন পদ্ধতি ব্যাবহার করতে পারে'। আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের, "প্রিন্সিপ্যাল অফ ইসলামিক জুরিস প্রুডেন্স' র অধ্যাপক ডঃ আলি জুম'য়া বলেন "যৌন তৃপ্তি লক্ষ্যে পতি-পত্নীদের পরপস্পের যৌনাংগ লেহন, চোষন ও চুম্বন বৈধ, এতে করে তাদের অবৈধকাজ (হারাম) কাজ থেকে বিরত রাখবে, যদি স্ত্রীর যোনীলেহনে স্ত্রীর চরম পুলক অর্জন আর স্বামীর লিংগ লেহনে স্বামীর যৌন উত্তেজনা প্রাপ্তি ও লিংগোত্থান হয়, তা বৈধ, স্বামী স্ত্রীর পরস্পরের চরম পুলক লাভের জন্য সবরকম যৌন কার্য করা যাবে'।

যৌন রস (প্রি-কাম) সমন্ধে ধারনাঃ

স্ত্রীর যোনী থেকে বের হওয়া রস 'পাক', এই ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোন হাদিস নেই। তেমনি অনেক বিদ্বান মানেন বীর্য ও 'পাক'। সাফী মতাবলম্বীদের মতে পুরুষের বীর্যও পবিত্র তবে প্রি ইজাকুলেশন অর্থাত বীর্য বের হবার আগে যে পাতলা পিচ্ছিল রস বের হ্য় তা নাজায়েয; তার মানে সংগী ও সংগিনী হয়তো মুখমেহনের সময় নাজায়েয জিনিষ লেহন করেছে, ফলে মুখমেহন নাজায়েয কিন্তু অবশ্যই 'হারাম' নয়। কারন এটা হারাম বলে কোথাও উল্লেখিত হয়নি।

মুসলিম স্কলারগন মত দিয়েছেন লিংগ চোষনের ফলে যদি বীর্যস্খলন হয় তা মাকরুহ বা নাজায়েয। কিন্তু এটা নিষিদ্ধ করে কোন আয়াত নেই। শরীরের এই অংশ পায়ুর মত নোংরা নয়। যদি স্ত্রী দুজনের চরম পুলক প্রাপ্তির লক্ষ্যে মুখমেহন করে তাহলে কোন বাধা নেই। এই কাজ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এমন কোন প্রমান নেই।

নোংরামী ছাড়া যদি মুখমেহন ও যৌনাচার করা যায়, তাহলে কোন বাধা নেই। স্ত্রী ততক্ষন পর্যন্ত স্বামীর লিংগ চোষন বা চুমু খেতে পারবে যতক্ষন না 'প্রি-কাম' বা যৌনরস বের হ্য়। সম্ভব হলে লিংগ মুন্ড এড়িয়ে যাওয়া। আর সতর্ক স্বামী কন্ডম ব্যাবহার করতে পারেন। আর স্ত্রীর বেলায় স্বামী স্ত্রীর যোনীদেশ, ক্লিটোরিস চুষতে পারেন (হাম্বালী মতবাদীদের অনেক বইয়ে উল্লেখিত) পরস্পরের চরম পুলক প্রাপ্তি লক্ষ্যে। তবে যৌনাচার শেষে অবশ্যই ভাল করে কুলি করে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। কন্ডম ব্যাবহার অথবা বীর্যস্খলনের পূর্বক্ষনে লিংগের গোড়ালী চেপে ধরে মুখমেহন কালীন বীর্যস্খলন রোধ করা যায়।

মুখমেহনের পর গোসল জরুরীঃ

মুখমেহন পূর্বরাগ অথবা যৌনাচার হিসাবে অনুমতি আছে, যদি স্বামী তার স্ত্রীর সাথে মুখ মেহনে অংশ নেয় এবং স্বামীর বীর্যপাত হয় তাহলে ইসলাম ধর্মমতে তার গোসাল করা ফরজ। আর যদি বীর্যপাত না হয় তাহলে উযু করে নিলেই হবে। শ্ত্রীর বেলায় গোসল করার দরকার নেই গায়ে মুখে অথবা জামায় লেগে থাকা বীর্য ধুয়ে ফেলতে হবে। বিদ্ব্যানরা বলেন স্ত্রীর মুখে বীর্যপাত লক্ষ্যে মুখমেহন করা মাকরুহ।


রেফারেন্স ও নোটসঃ

ইমাম বোখারী শরীফ
লা'ত ইসলাম পূর্ব তাকিফ গোত্রের পূজিত একজন দেবী
সহি বুখারী, কিবার আল সারুত, আল সারুত ফিল যিহাদ, হাদিস ২৭৭০
উইকিপিডিয়া

http://sexpoll.blogspot.com জরিপের ফলাফল-4

দাম্পত্য জীবনে সুথী হওয়ার জন্য প্রয়োজন বিশ্বাস, ভালবাসা, শেয়ারিং, সেক্স। এর মধ্য থেকে যদি আপনাকে একটি বাদ দিতে বলা হয় কোনটি বাদ দিবেন?

বিশ্বাস 3 (9%)
ভালবাসা 3 (9%)
শেয়ারিং 12 (38%)
সেক্স 13 (41%)


Votes so far: 31

Wednesday, September 1, 2010

http://sexpoll.blogspot.com জরিপের ফলাফল-3

খুব সুন্দরী ও সেক্সি মেয়ে দেখলে যেমন ছেলেদের শারীরিক প্রতিক্রিয়া হয় তেমনি সুন্দর ছেলে দেখলে কি মেয়েদেরও শারীরিক প্রতিক্রিয়া হয়?

হ্যাঁ ৮৪(৯২%)
না ৭(৭%)
মোট ভোট পড়েছে ৯১টি

Friday, July 30, 2010

http://sexpoll.blogspot.com জরিপের ফলাফল-২

মেয়েরা কি একাধিক ছেলের সাথে যৌনতা পছন্দ করে?

হ্যাঁ ৫৬(৭১%)
না ২২(২৮%)
মোট ভোট ৭৮